অরভিল রাইট এবং উইলবার রাইট। এই দুই মার্কিন প্রকৌশলীর কথা তো আমাদের সবারই জানা। মার্কিন মুলুক ছেড়ে আজ বলেবো বাংলাদেশের দুই ভ্রাতৃদ্বয়ের কথা।
করোনা যুদ্ধে প্রাণবায়ু সচল রাখতে দেশীয় প্রযুক্তিতে ‘ভেন্টিলেটর’তৈরি করে ইতিমধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছেন তারা। এদের একজন শিক্ষানবিশ চিকিৎসক- কাজী স্বাক্ষর। অপরজন হলেন প্রকৌশলী বায়েজিদ শুভ। সম্পর্কে তারা খালাতো ভাই। এই দুই ভাই মিলেই তৈরি করেছেন ভেন্টিলেটর ‘স্পন্দন’। অন্তত ৭২ ঘণ্টা থেকে চারদিন পর্যন্ত হৃদকম্পন চালু রাখতে সহায়তা করতে পারে দেশে তৈরি প্রথম এই ভেন্টিলেটরটি।
এর মাধ্যমে tidal volume, IE ratio, peak flow, apnea, pressure, respiratory rate, রোগীর শ্বাস সেন্সর সবই নিখুঁতভাবে করা যায় বলে জানিয়েছেন তারা। আশা করছেন, শিগগিরই এটি ঔষধ প্রশাসনের ছাড় পত্র নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ৫০ হাজার টাকার মধ্যেই সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

‘স্পন্দন’ কতটা কাজে লাগবে আমাদের! চাইলে কাজী স্বাক্ষর জানালেন, তাদের উদ্ভাবিত ভেন্টিলেটরটি ভিসিএসএম মুডে কাজ করে। এটি একজন রোগীকে ৫-৭ দিন পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে পারে।
অপরদিকে বায়েজিদ শুভ বললেন, ভেন্টিলেটরটি যেন যান্ত্রিক গোলোযোগে না পড়ে সে দিকটাতেই কড়া নজর দিয়েছেন তারা।
ডিভাইসটি বানাতে তাদেরকে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এ এফ কিংশুক এবং আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাজবিরুল হাসান কাব্য।
পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করেছেন- ডা. আসিফ উর রহমান, ডা ফরহাদ উদ্দীন হাসান চৌধুরী মারুফ, এম তোফাজ্জল আলি, কাজী মনসুর উল হক, ফাহিম আহমেদ, আকিফ মুন্তাসির, সোহেল রানা ও মনির হাসান।